Sunday, February 5, 2023
HomeRecentসমবায় ভোটে বিরোধী জোটের কাছে অল আউট তৃণমূল, রাম-বাম আঁতাত নিয়ে সরব...

সমবায় ভোটে বিরোধী জোটের কাছে অল আউট তৃণমূল, রাম-বাম আঁতাত নিয়ে সরব শাসক দল !

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img
- Advertisement -

নন্দকুমার, পূর্ব মেদিনীপুর : জনপ্রিয় সমবায়ের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ সমবায় বাঁচাও মঞ্চের কাছে জোরদার ধাক্কা খেল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।  পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে বহরমপুর কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার‍্যাল ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেডের ৬৩ আসনের নির্বাচনে রীতিমতো খালি হাতেই ফিরতে হল তৃণমূলকে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের এমন ফলাফল ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। যদিও সমবায়ের এই নির্বাচনের ফলাফল পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব ফেলবে না বলেই দাবী তৃণমূলের।

পাশাপাশি সমবায়ের নির্বাচনে হারের কারণ হিসেবে বাম-রাম জোটকেই একহাত নিয়েছে তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। তাঁর দাবী, “বাম-রাম আঁতাত করেই তৃণমূলকে অপদস্থ করেছে। আমরা বারেবারে সোচ্চার হয়েছি এই অসম জোটের বিরুদ্ধে। নন্দকুমারে সমবায়ের নির্বাচন আবারও এই জোটের প্রমাণ করে দিল”। যদিও সমবায়ের প্রাক্তন সম্পাদক অশোক কুমার দাস-এর দাবী, “সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মঞ্চ গড়েই তৃণমূলকে ধরাশায়ী করেছি আমরা। মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন বলেই তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে”।

প্রসঙ্গতঃ  বহরমপুর কো-অপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেডের ৬৩টি আসনের ভোট ছিল রবিবার। যেখানে সমবায়ের প্রাক্তন বোর্ডের সদস্যরা একজোট হয়ে গড়েছিল সমবায় বাঁচাও মঞ্চ, আর বিরোধী পক্ষে ছিল তৃণমূল। ২০১২ সাল থেকে এই সমবায়ের বোর্ডের দায়িত্ব একচেটিয়া ভাবে বামেদের দখলেই ছিল। এবারের নির্বাচনের লড়াইয়ের শুরুতেই অনেকটা পেছনে পড়ে যায় শাসক দল। তৃণমূল সব মিলিয়ে ৪৬টি আসনে মনোনয়ন জমা করলেও পরে অধিকাংশ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ৫২টি আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যায় সমবায় বাঁচাও মঞ্চ।

রবিবার ছিল বাকী ১১টি আসনের ভোট।  সেখানেই তৃণমূলকে কার্যত উড়িয়ে সবকটি আসনেই জিতে যায় সমবায় বাঁচাও মঞ্চের প্রতিনিধিরা। এই সমবায়ের বিগত বোর্ডের  প্রাক্তন সভাপতি সেক হোসিয়ার রহমান জানান, “আমরা এই নির্বাচনে তৃণমূল বিরোধী জোট গড়ে লড়াই করেছিলাম এবং মনোনয়নের পরেই আমরা একপ্রকার জিতে গিয়েছি। বাকী ১১টি আসনেও যে আমরাই জিতব সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ আশাবাদী ছিলাম”।  

প্রাক্তন সম্পাদক অশোক কুমার দাস জানান, “বাম আমল থেকে আমাদের বোর্ড চললেও পরিষেবার ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে সবাইকেই আমরা পরিষেবা দিয়ে চলেছি। কিন্তু তৃণমূল পরিচালিত সমবায়গুলিতে যে ভাবে দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে আসে তাতে আমরা অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় ছিলাম। সেখান থেকেই সমস্ত তৃণমূল বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে বোর্ড গঠনের লড়াইয়ে নেমেছিলাম। সেই লড়াই আমরা জিতেছি”।

spot_imgspot_img
spot_img
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular